সন্ত বার্তা
যিনি জগতের মুল কারন এবং সকলের হৃদয়ে পুরুষ রুপে বিরাজ করছেন , যিনি সমস্ত জগতের একমাত্র প্রভু , যার জন্য এই সংসারে চেতনার বিস্তার হয় সেই ভগবান কে নমস্কার এবং ভক্তি ভরে তাঁর ধ্যান করি । এই বিশ্ব যার মধ্যে অবস্থিত , যার সত্তাবশত এই বিশ্বের প্রতীত হচ্ছে , যিনি এই বিশ্বের সর্বত্র ব্যাপ্ত এবং স্বয়ং যিনি এই রুপেই প্রকাশিত এবং এই সমস্ত হওয়া সত্ত্বে যিনি এই সংসার ও তার কারন প্রকৃতির অতীত , আমি সেই স্বয়ং প্রকাশ স্বয়ং সিদ্ধ সত্তাত্মক পরমেশ্বরের শরণাপন্ন হলাম । এই প্রপঞ্চ বিশ্বই তার মায়ায় তাতেই অধ্যস্ত । তিনি কখনও ব্যক্ত , কখন বা প্রলয় বিলীন এই বিশ্বকে নিত্য অলুপ্ত দৃষ্টে সাক্ষিরুপে নিরক্ষন করছেন । সেই সর্বমুল তথা আত্মমুল , কারজ কে কারনের অতীত স্বয়ং প্রকাশ ভগবান আমাকে রক্ষা করুন । প্রলয়কালে লোক , লোকপাল এবং ভুতাদি সব কারনসহ বিনিষ্ঠ হলে যে দুরবগাহ ঘোর অন্ধকার অবশিষ্ট থাকে সেই অন্ধকারের পারে বিরাজমান যে বিভু তিনি আমায় রক্ষা করুন । তার লীলা রহস্য জানা অতীব দুরুহ । তিনি অভিনেতার মত নানারুপ ও নানা বেশ ধারন করেন । তার বাস্তবিক স্বরুপ দেবতা বা ঋষিগন কেউ ই জানে না , তাহলে এমন কোন ব্যক্তি আছে যে তাঁর বর্ণনা করতে পারে ? দুর্জ্ঞেয় চরিত্র সেই প্রভু আমাকে রক্ষা করুন । যার পরম মঙ্গলময় স্বরুপ দর্শন করার জন্য সাধুরা সংসারের সমস্ত আসক্তি কে ত্যাগ করে বনে গিয়ে নৈষ্ঠিক ব্রহ্মচর্য আদি অলৌকিক ব্রত পালন করেন এবং নিজ আত্মাকে সকলের হৃদয়ে বিরাজমান রুপে উপলব্ধি করে স্বাভাবিকভাবে ই অপরের মঙ্গলে রত থাকেন –মুনি গনের সর্বস্ব সেই ভগবান আমার সহায়তা করুন এবং তিনিই আমার পরম গতি হওন । যার জন্ম কর্ম অথবা নাম রুপ কিছু নেই , তার মধ্যে দোষ গুন কি করে কল্পনা করা যায় ? তবুও তিনি বিশ্বের সৃষ্টি ও সংহারের জন্যমায়ার যথাকালে জন্মাদি স্বীকার করে থাকেন । সেই অনন্ত শক্তিমান ঐশ্বর্যময় পরব্রহ্ম পরমত্মাকে নমস্কার ।তিনি অরুপ হয়েও বহু রুপে প্রকাশিত হন । সেই আশ্চর্যকর্মার চরণে প্রনাম । স্বপ্রকাশ , সাক্ষীরুপ সেই পরমাত্মা কে নমস্কার । যিনি মন ,বাক্য ও চিত্ত থেকে অনেক দূরে সেই পরমাত্মা বারবার নমস্কার । সাধক কর্মসন্ন্যাস অথবা কর্মসমর্পণ দ্বারা শুদ্ধান্তঃকরণ হয়ে যাকে লাভ করেন , যিনি নিত্যমুক্ত পরমানন্দ ও জ্ঞানস্বরুপ এবং অপরকে কৈবল্য মুক্তি দেবার ক্ষমতা কেবল যার আছে সেই প্রভুকে আমি নমস্কার করি । যিনি সত্ত্ব রজঃ ও তমঃ এই তিন গুনের ধর্ম কে স্বীকার করে যথাক্রমে সত্ত্ব গুনে শান্ত , রজঃগুনে ঘোর এবং কখন বা তমঃ গুনে মুঢ়ের মত আচরণ করেও ভেদরহিত , সমভাবে স্থিত ও জ্ঞানবান , সেই প্রভুকে বারবার নমস্কার করি । আপনি সকলের প্রভু , ক্ষেত্রজ্ঞ এবং সর্বসাক্ষী আপনাকে আমি নমস্কার করছি । আপনি নিজেই আপনার কারন [ উৎসস্থল ] ।আপনিই পুরুষ ও মুল প্রকৃতি রুপে বিদ্যমান । আপনাকে বারবার প্রনাম । আপনার যাবতীয় ইন্দ্রিয় এবং তাদের বিষয়সমূহের দ্রষ্টা এবং সর্বাবিধ প্রতীতির আধার । অহংকার আদি ছায়ারুপ অসত্য বস্তুর দ্বারাও আপনার অস্তিত্বের প্রমান পাওয়া যায় ।
সমস্ত বিষয়ের মধ্যে যে চৈতন্যর আভাস পাওয়া যায় সেও আপনার অস্তিত্ব প্রকাশ করে । আমি আপনাকে নমস্কার করি । আপনি সকলের আদি কারন কিন্তু আপনার কারন নেই এবং সর্বকারন হওয়া সত্ত্বেও আপনার কোন বিকৃতি বা পরিণাম নেই , সেজন্য আপনি অদ্ভুত কারন । আপনাকে আমার নমস্কার । যেমন সমস্ত নদী ও ঝর্ণার অন্তিম গতি হল সমুদ্র সেইরুপ সমস্ত বেদ শাস্ত্রসমূহ আপনাতে পর্যবসিত হয় । আপনি মোক্ষস্বরুপ এবং সমস্ত সাধু দের আশ্রয় স্থল , আপনাকে নমস্কার । যেমন যজ্ঞের কাষ্ঠে অগ্নি প্রচ্ছন্ন ভাবে থাকে তেমনিই আপনি আপনার জ্ঞান কে গুনসমূহের মায়ায় ঢেকে রেখেছেন । গুনসমূহ যখন ক্ষুব্ধ হয় তখন আপনি তাদের দ্বারা নানা প্রকার সৃষ্টির সংকল্প করেন । যারা কর্মসন্ন্যাস অথবা কর্মসমর্পণ দ্বারা আত্মতত্ত্বের চিন্তা করে শাস্ত্রের বিধি নিষেধকে অতিক্রম করতে পেরেছেন , তাদের আত্মারুপে আপনি প্রকাশিত হন । আপনাকে আমি নমস্কার করি ।
যেমন দয়ালু ব্যক্তি জালে আবদ্ধ পশু কে মুক্ত করেন তেমনিই আপনি আমার মত শরণাগত কে পাশ থেকে মুক্ত করবেন । আপনি নিত্যমুক্ত , পরম করুণাময় এবং ভক্তের মঙ্গল করতে কখন আপনার বিলম্ব হয় না । আপনার চরণে আমার প্রনাম । আপনি সমস্ত প্রাণীর মধ্যে আংশিকভাবে অন্তরআত্মারুপে অবস্থান করে উপলব্ধির বিষয় হন । সেই সবৈশ্বরজ পূর্ণ এবং অনন্ত ভগবান আপনাকে প্রনাম করছি ।
যারা দেহ , পুত্র , গুরুজন , গৃহ সম্পত্তি , এবং স্বজনের প্রতি আসক্ত তাদের পক্ষে আপনাকে লাভ করা বড়ই কঠিন , কেননা আপনি স্বয়ং গুনাদিতে আসক্তি শুন্য । জীবন্মুক্ত মহাপুরুষ নিজের হৃদয়ে অবিরত আপনার কথাই চিন্তা করেন । সবৈশ্বরজপূর্ণ জ্ঞানময় ভগবান কে প্রনাম করি ।মানুষ ধর্ম , অর্থ কাম এবং মোক্ষ লাভের জন্য তাঁর আরাধনা করে তাদের অভীষ্ট বস্তু লাভ করে । শুধু তাই নয় , তিনি তাদের সর্ব প্রকার সুখ বিতরণ করেন এবং সেই সঙ্গে তাদের নিজের মত অমর পার্ষদ -দেহ দান করে থাকেন ।সেই পরম দয়ালু প্রভু আমায় উদ্ধার করুন । যার শরণাগত একান্ত ভক্তগন তাঁর কাছে কোন বস্তুই প্রার্থনা করেন না এমন কি মোক্ষ পর্যন্ত প্রার্থনা করেন না ,কেবল তাঁর পরম মঙ্গল ময় দিব্য লীলা সমূহ কীর্তন করে আনন্দ সাগরে ডুবে থাকেন । যিনি অবিনাশী সর্বশক্তিমান , অব্যক্ত , অতিন্দ্রিয় , এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম , যিনি অতি নিকটস্থ হয়েও দূরবর্তী মনে হন । যাকে আধ্যাত্মিক যোগ অর্থাৎ জ্ঞান যোগ অথবা ভক্তিযোগের দ্বারা লাভ করা যায় । আমি সেই আদি পুরুষ অনন্ত ও পূর্ণ পরব্রহ্মের স্তূতি করছি ।
যার সামান্য অংশ থেকে বহু প্রকার নাম এবং রুপের ভেদযুক্ত ব্রহ্মা প্রমুখ দেবতা ,বেদ এবং চরাচর সমস্ত লোকসকল সৃষ্ট হয়েছে , যেমন দীপ্তি অগ্নি থেকে শিখাসমূহ অথবা প্রকাশশীল সূর্য থেকে তৎসদৃশ্য কিরন সমূহ পুনঃপুনঃ প্রকাশিত এবং তাতেই বিলীন হয়ে থাকে , সেরুপ গুনপ্রবাহ রুপি বুদ্ধি ,মন ইন্দ্রিয় ও দেহ বারবার যে স্ব্যংপ্রকাশ পরমাত্মা থেকে উৎপন্ন হয় আবার তাতেই লীন হয় । সেই ভগবান দেবতা বা অসুর নন অথবা মানুষ ,পশু ,কিংবা পক্ষীও না । তিনি স্ত্রী পুরুষ কিংবা নপুংশকও নন তিনি সাধারন অথবা অসাধারন কোন প্রাণীও গুন ,কর্ম বা কারন কোন কিছুই নন । সমস্ত কিছুর নিষেধ হয়ে যাওয়ার পর যা অবশিষ্ট তাই যার স্বরুপ এবং যিনি অশেষ , সেই পরমাত্মা আমাকে উদ্ধারের জন্য আবির্ভূত হন । আমি বাচতে চাই না । এই হস্তি যোনি ভিতরে এবং বাইরে চতুর্দিকে থেকেই অজ্ঞান রুপ আবরণে আচ্ছন্ন । এই জীবন ধারন করে কি লাভ ? কালবশেও যার বিনাশ হয় না সেই আত্মপ্রকাশের আবরণস্বরুপ অজ্ঞানান্ধকারের নাশ রুপ মোক্ষই আমি ইচ্ছা করি । অতএব আমি সেই পরব্রহ্ম পরমাত্মার শরণ নিচ্ছি যিনি বিশ্বস্রষ্টা অথচ বিশ্বব্যতিরিক্ত এবং বিশ্বরুপ । যিনি বিশ্বের অন্তরাত্মা এবং এই বিশ্ব যার লীলার উপকরণ সেই অজ পরমপদ ব্রহ্ম কে আমি নমস্কার করি । যোগীগন যোগের দ্বারা কর্ম , কর্মবাসনা এবং কর্ম ফল কে দগ্ধ করে নিজেদের শুদ্ধ হৃদয়ে যে যোগেশ্বর কে দর্শন করেন , আমি সেই যোগেশ্বর কে প্রনাম করি আপনার তিন শক্তি সত্ত্ব , রজঃ তমঃ এই তিন গুনের বেগ সহ্য করা সহজ নয় ।আপনি মন এবং সকল ইন্দ্রিয়ের বিষয় রুপেও প্রতিয়মান হন । সেই জন্য যার ইন্দ্রিয় বশিভুত থাকে না সে আপনার পথে যেতেই পারে না ।আপনার শক্তি অনন্ত । আপনি শরণাগত বৎসল । আপনাকে আমি বার বার প্রনাম করি ।আপনার মায়া শক্তি অহং বুদ্ধি রুপে আত্মার স্বরুপ কে আবৃত করে রাখায় জীব নিজের আত্মা কে জানতে পারে না , আপনার মহিমা অনন্ত । আমি সর্বশক্তিমান মাধুর্যময় ভগবানের শরণাগত হয়েছি ।
সমস্ত বিষয়ের মধ্যে যে চৈতন্যর আভাস পাওয়া যায় সেও আপনার অস্তিত্ব প্রকাশ করে । আমি আপনাকে নমস্কার করি । আপনি সকলের আদি কারন কিন্তু আপনার কারন নেই এবং সর্বকারন হওয়া সত্ত্বেও আপনার কোন বিকৃতি বা পরিণাম নেই , সেজন্য আপনি অদ্ভুত কারন । আপনাকে আমার নমস্কার । যেমন সমস্ত নদী ও ঝর্ণার অন্তিম গতি হল সমুদ্র সেইরুপ সমস্ত বেদ শাস্ত্রসমূহ আপনাতে পর্যবসিত হয় । আপনি মোক্ষস্বরুপ এবং সমস্ত সাধু দের আশ্রয় স্থল , আপনাকে নমস্কার । যেমন যজ্ঞের কাষ্ঠে অগ্নি প্রচ্ছন্ন ভাবে থাকে তেমনিই আপনি আপনার জ্ঞান কে গুনসমূহের মায়ায় ঢেকে রেখেছেন । গুনসমূহ যখন ক্ষুব্ধ হয় তখন আপনি তাদের দ্বারা নানা প্রকার সৃষ্টির সংকল্প করেন । যারা কর্মসন্ন্যাস অথবা কর্মসমর্পণ দ্বারা আত্মতত্ত্বের চিন্তা করে শাস্ত্রের বিধি নিষেধকে অতিক্রম করতে পেরেছেন , তাদের আত্মারুপে আপনি প্রকাশিত হন । আপনাকে আমি নমস্কার করি ।
যেমন দয়ালু ব্যক্তি জালে আবদ্ধ পশু কে মুক্ত করেন তেমনিই আপনি আমার মত শরণাগত কে পাশ থেকে মুক্ত করবেন । আপনি নিত্যমুক্ত , পরম করুণাময় এবং ভক্তের মঙ্গল করতে কখন আপনার বিলম্ব হয় না । আপনার চরণে আমার প্রনাম । আপনি সমস্ত প্রাণীর মধ্যে আংশিকভাবে অন্তরআত্মারুপে অবস্থান করে উপলব্ধির বিষয় হন । সেই সবৈশ্বরজ পূর্ণ এবং অনন্ত ভগবান আপনাকে প্রনাম করছি ।
যারা দেহ , পুত্র , গুরুজন , গৃহ সম্পত্তি , এবং স্বজনের প্রতি আসক্ত তাদের পক্ষে আপনাকে লাভ করা বড়ই কঠিন , কেননা আপনি স্বয়ং গুনাদিতে আসক্তি শুন্য । জীবন্মুক্ত মহাপুরুষ নিজের হৃদয়ে অবিরত আপনার কথাই চিন্তা করেন । সবৈশ্বরজপূর্ণ জ্ঞানময় ভগবান কে প্রনাম করি ।মানুষ ধর্ম , অর্থ কাম এবং মোক্ষ লাভের জন্য তাঁর আরাধনা করে তাদের অভীষ্ট বস্তু লাভ করে । শুধু তাই নয় , তিনি তাদের সর্ব প্রকার সুখ বিতরণ করেন এবং সেই সঙ্গে তাদের নিজের মত অমর পার্ষদ -দেহ দান করে থাকেন ।সেই পরম দয়ালু প্রভু আমায় উদ্ধার করুন । যার শরণাগত একান্ত ভক্তগন তাঁর কাছে কোন বস্তুই প্রার্থনা করেন না এমন কি মোক্ষ পর্যন্ত প্রার্থনা করেন না ,কেবল তাঁর পরম মঙ্গল ময় দিব্য লীলা সমূহ কীর্তন করে আনন্দ সাগরে ডুবে থাকেন । যিনি অবিনাশী সর্বশক্তিমান , অব্যক্ত , অতিন্দ্রিয় , এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম , যিনি অতি নিকটস্থ হয়েও দূরবর্তী মনে হন । যাকে আধ্যাত্মিক যোগ অর্থাৎ জ্ঞান যোগ অথবা ভক্তিযোগের দ্বারা লাভ করা যায় । আমি সেই আদি পুরুষ অনন্ত ও পূর্ণ পরব্রহ্মের স্তূতি করছি ।
যার সামান্য অংশ থেকে বহু প্রকার নাম এবং রুপের ভেদযুক্ত ব্রহ্মা প্রমুখ দেবতা ,বেদ এবং চরাচর সমস্ত লোকসকল সৃষ্ট হয়েছে , যেমন দীপ্তি অগ্নি থেকে শিখাসমূহ অথবা প্রকাশশীল সূর্য থেকে তৎসদৃশ্য কিরন সমূহ পুনঃপুনঃ প্রকাশিত এবং তাতেই বিলীন হয়ে থাকে , সেরুপ গুনপ্রবাহ রুপি বুদ্ধি ,মন ইন্দ্রিয় ও দেহ বারবার যে স্ব্যংপ্রকাশ পরমাত্মা থেকে উৎপন্ন হয় আবার তাতেই লীন হয় । সেই ভগবান দেবতা বা অসুর নন অথবা মানুষ ,পশু ,কিংবা পক্ষীও না । তিনি স্ত্রী পুরুষ কিংবা নপুংশকও নন তিনি সাধারন অথবা অসাধারন কোন প্রাণীও গুন ,কর্ম বা কারন কোন কিছুই নন । সমস্ত কিছুর নিষেধ হয়ে যাওয়ার পর যা অবশিষ্ট তাই যার স্বরুপ এবং যিনি অশেষ , সেই পরমাত্মা আমাকে উদ্ধারের জন্য আবির্ভূত হন । আমি বাচতে চাই না । এই হস্তি যোনি ভিতরে এবং বাইরে চতুর্দিকে থেকেই অজ্ঞান রুপ আবরণে আচ্ছন্ন । এই জীবন ধারন করে কি লাভ ? কালবশেও যার বিনাশ হয় না সেই আত্মপ্রকাশের আবরণস্বরুপ অজ্ঞানান্ধকারের নাশ রুপ মোক্ষই আমি ইচ্ছা করি । অতএব আমি সেই পরব্রহ্ম পরমাত্মার শরণ নিচ্ছি যিনি বিশ্বস্রষ্টা অথচ বিশ্বব্যতিরিক্ত এবং বিশ্বরুপ । যিনি বিশ্বের অন্তরাত্মা এবং এই বিশ্ব যার লীলার উপকরণ সেই অজ পরমপদ ব্রহ্ম কে আমি নমস্কার করি । যোগীগন যোগের দ্বারা কর্ম , কর্মবাসনা এবং কর্ম ফল কে দগ্ধ করে নিজেদের শুদ্ধ হৃদয়ে যে যোগেশ্বর কে দর্শন করেন , আমি সেই যোগেশ্বর কে প্রনাম করি আপনার তিন শক্তি সত্ত্ব , রজঃ তমঃ এই তিন গুনের বেগ সহ্য করা সহজ নয় ।আপনি মন এবং সকল ইন্দ্রিয়ের বিষয় রুপেও প্রতিয়মান হন । সেই জন্য যার ইন্দ্রিয় বশিভুত থাকে না সে আপনার পথে যেতেই পারে না ।আপনার শক্তি অনন্ত । আপনি শরণাগত বৎসল । আপনাকে আমি বার বার প্রনাম করি ।আপনার মায়া শক্তি অহং বুদ্ধি রুপে আত্মার স্বরুপ কে আবৃত করে রাখায় জীব নিজের আত্মা কে জানতে পারে না , আপনার মহিমা অনন্ত । আমি সর্বশক্তিমান মাধুর্যময় ভগবানের শরণাগত হয়েছি ।

